খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১:২৭ পিএম
‘বিক্ষুব্ধ জুম্ম ছাত্র-জনতা’র ডাকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ৭২ ঘণ্টার সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ফলে রাঙামাটির বাঘাইহাট জোনের আওতাধীন সাজেক এলাকায় আটকা পড়া ১৪০০ পর্যটক। সেনাবাহিনীর সহায়তায় আজ সকালে তাঁরা সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি ফিরেছেন।
অবরোধ কার্যকর করতে পাহাড়ি ছাত্র ও স্থানীয় লোকজন মিলে বাঘাইহাট-সাজেক পথের বিভিন্ন স্থানে সড়কে গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি, আড়াআড়িভাবে ট্রাক রেখে এবং টায়ার পুড়িয়ে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী করে তোলে। সেনাবাহিনীর প্রচেষ্টায় ও স্থানীয়দের সহায়তায় গতকাল সোমবার রাতে এবং আজ মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন স্থানের বাধা অপসারণ করে সড়ক চলাচল উপযোগী করা হয়।

এ ছাড়াও শুক্রবার রাতে শুকনাছড়া ও উলুছড়া এলাকায় ছোট দুটি কালভার্টের লোহার পাটাতন দুর্বৃত্তরা সরিয়ে নিয়ে যায়। ফলে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সোমবার রাতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পাটাতন পুনরায় স্থাপন করে সড়ক চলাচলের উপযোগী করা হয়।
এদিকে বাঘাইহাট জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং রিসোর্ট মালিক সমিতির সম্মতিতে সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের রিসোর্টে থাকার ভাড়ার ৫০-৭৫ শতাংশ মওকুফ করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সকালে রাস্তার সব বাধা সরানোর পর বাঘাইহাট জোনের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর এসকর্টে সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকরা খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এদিন এক হাজার ৪০০ পর্যটক ২৪৪টি গাড়িতে (১১২টি লোকাল জিপ, ১০৯টি বাইক ও ২৩টি সিএনজি) করে সাজেক থেকে খাগড়াছড়িতে ফিরে আসেন।
টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাসান ইকবাল বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে আটক পড়া পর্যটকদের যৌথ বাহিনীর বেষ্টনীতে নিরাপদে খাগড়াছড়ি সদরে আনা হয়েছে। এখান থেকে প্রত্যেকে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবেন।
মন্তব্য